হরমুজ প্রণালীতে ইসরাইল সংশ্লিষ্ট জাহাজে ড্রোন হামলা

শনিবার (৪ এপ্রিল) আইআরজিসির নৌবাহিনীর কমান্ডারের বরাতে ইরানের সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, ড্রোন হামলায় এমএসসি ইশিকা নামের জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। তবে এ বিষয়ে ইসরাইলের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

 

জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর পথটির ওপর নিয়ন্ত্রণ নেয় ইরান। 
 
দেশটির সামরিক বাহিনী বলেছে, প্রণালীটি তাদের নৌবাহিনীর ‘দৃঢ় ও কর্তৃত্বপূর্ণ’ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এটি ইরানের ‘শত্রুদের জন্য’ বন্ধই থাকবে। এর ফলে একদিকে যেমন উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাস রফতানি হুমকির মুখে পড়েছে। অন্যদিকে বিশ্বের বহু দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।
 
 
এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প নতুন করে আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান যদি সোমবারের (৬ এপ্রিল) মধ্যে কোনো চুক্তিতে না আসে কিংবা হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তাহলে ‘ভয়াবহ পরিণতি’ নেমে আসবে।
 
শনিবার (৪ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি ইরানকে ১০ দিন সময় দিয়েছিলাম— চুক্তি করতে অথবা হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে। সময় ফুরিয়ে আসছে— আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বাকি, এরপর তাদের ওপর জাহান্নাম নেমে আসবে।’
 
তবে বরাবরের মতো ট্রাম্পের এই ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক সদর দফতর খাতাম আল-আম্বিয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই হুমকি একটি ‘অসহায়, দিশেহারা, ভারসাম্যহীন ও বিবেচনাহীন কাজ।’  

সম্পর্কিত পোস্ট

bn_BD